রমজানে চালু হবে খাদ্য সরবরাহে বিশেষ ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রী

দেশবাংলা ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সামনে রোজা চলে এসেছে। রোজার মধ্যেও বিশেষ খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা বজায় থাকার উদ্যোগ আমরা নিয়েছি।
সোমবার (২০ এপ্রিল) গণভবনে থেকে ঢাকা বিভাগের কয়েকটি জেলা ময়মনসিংহ বিভাগের জেলাগুলোর সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সিং এ উদ্বোধনী বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের সঞ্চালনা করেন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখ্য সচিব আহমেদ কায়কাউস।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, রমজানে মানুষ যেন কোন খাদ্য সংকটে না থাকে সেজন্য বিশেষভাবে খাদ্য সরবরাহ করা হবে। আর করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে সামনে যে বিশ্ব খাদ্য সংকট দেখা দিবে তা মোকাবেলায় এখন থেকেই চাষাবাদের প্রস্তুতি নিতে হবে। সরকার থেকে আমরা এ জন্য যা যা করা দরকার প্রয়োজনীয় সবকিছু করব। পাশাপাশি কোন রোগের প্রাদুর্ভাব যেন ছড়িয়ে না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
শেখ হাসিনা বলেন,আমরা ভিজিএফ, ওএমএস, কাবিখা কর্মসূচি চালু করেছি। ৫০ লাখ লোক রেশনকার্ডের আওতায় আছে। এছাড়া আরও ৫০ লাখ লোককে কার্ডের আওতায় আনা হবে। এর মাধ্যমে পাঁচ কোটি মানুষ উপকৃত হবে। যারা সুবিধা নেবেন তাদের ডাটাবেজ করা থাকবে। যারা চাইতে পারবেন না তাদের জন্য আমরা এই ব্যবস্থা নিয়েছি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, এপ্রিল মাসে আমাদের জন্য একটু ঝুঁকিপূর্ণ। দেশের সবাইকে ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। এটা মনে রাখতে হবে দুর্যোগ আসলেই ভেঙ্গে পড়ার কিছু নেই। সাহসের সঙ্গে মোকাবিলা করতে হবে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে যার যা কিছু ছিল তা নিয়েই আমরা সাহস নিয়ে যুদ্ধে বিজয় অর্জন করেছি। ইনশাল্লাহ খুব শীঘ্রই করোনার প্রাদুর্ভাব থেকেও আমরা বেরিয়ে আসতে পারবো।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন,ধান কাটা শুরু হয়েছে। আশা করি খাদ্যের অভাব হবে না। এছাড়া আমরা ২১ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য কিনে রাখব যাতে খাদ্যের যোগান দিতে পারি।সকাল ১০টায় শুরু হওয়া গণভবন থেকে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের ৮ জেলার মাঠ পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্স সঞ্চালনা করছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস। ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী করোনাভাইরাস নিয়ে বক্তব্য দেন এবং সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর অবস্থা জানেন।
আজ ঢাকা বিভাগের কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও মানিকগঞ্জ জেলা এবং ময়মনসিংহ বিভাগের জেলাগুলোর সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতার সরাসরি সম্প্রচার করে।

Facebook Comments