সুযোগ পেয়ে গোল করতে না পারার খেসারত এটা : জেমি ডে

আজ (বৃহস্পতিবার) বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের সেমিফাইনালে গোল মিসের আরেকটি প্রদর্শনী দেখাল বাংলাদেশ। ম্যাচ শেষে স্কোর বুরুন্ডি-৩ : বাংলাদেশ-০।
কিন্তু স্কোর এর বিপরীত হলেও অবাক হওয়ার ছিল না। সুযোগ পেয়ে মিস করেছে বলে পরাজিত দলটির নাম বাংলাদেশ। আর তিন সুযোগের তিনটিই কাজে লাগিয়ে জয়ী দল বুরুন্ডি। ফাইনাল লড়াইটা তাই এশিয়া আর আফ্রিকারই হলো। শনিবার বিকেল ৪ টায় বুরুন্ডি ফাইনাল খেলবে গতবারের চ্যাম্পিয়ন ফিলিস্তিনের বিপক্ষে।
বুরুন্ডির আক্রমণভাগ এবারের বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর। বাংলাদেশ কোচ জেমি ডে আগেই এই ভয়টার কথা বলেছিলেন। বিশেষ করে জসপিন নামের তাদের এক ফরোয়ার্ড।
গ্রুপ পর্বেও দুই ম্যাচে হ্যাটট্রিকসহ ৪ গোল করা জসপিন বাংলাদেশকেও মাটিতে নামিয়েছেন হ্যাটট্রিক করে। শেষ পর্যন্ত জেমির ভয়টাই বাস্তবে পরিণত হয়েছে। বুরুন্ডির ভয়ংকর আক্রমণভাগই বাংলাদেশকে ছিটকে দিয়েছে জাতির পিতার নামের এই টুর্নামেন্ট থেকে।
ম্যাচ শেষে মলিন বদনে সংবাদ সম্মেলনকক্ষে ঢুকে কিছু সময় মাথা নিচু করে রইলেন বাংলাদেশ কোচ। নিশ্চয়ই সাদ উদ্দিন, ইব্রাহিম, রাকিব, সোহেলদের অমার্জনীয় মিসগুলো চোখের সামনে ভাসছিল তার। এত সুযোগ পাওয়ার পরও পরাজিত দল, এটা মানা যায়?
বাংলাদেশের ইংলিশ কোচ জেমি ডে হারটাকে গোল করতে না পারার খেসারত হিসেবেই দেখছেন। তার ভাষায়, ‘আমরা অনেক সুযোগ পেলাম। গোল করে এগিয়ে যেতে পারলে দৃশ্যপটটা বদলে যেতে পারতো। আমি হতাশ, আর কি বলবো?’
প্রথমার্ধের শেষ দুই মিনিটে ২ গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়লেও দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায়নি বাংলাদেশ। বরং লড়াই করে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেছে। কিন্তু ওই যে গোল করার মানুষের অভাব! জেমি ডে ডাগআউটে দাঁড়িয়ে যেন নিজের চুল ছিঁড়ছিলেন। প্রতিপক্ষের গোলমুখ খুলতে পারলে হয়তো ম্যাচটা এমন একপেশে হতো না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here